Mostafizur Firoz Mostafizur Firoz Author
Title: পেশা হিসেবে নিতে পারেন রং শিল্প
Author: Mostafizur Firoz
Rating 5 of 5 Des:
চাকরির জন্য বেছে নিতে পারেন রংশিল্পকে। রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেমিস্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ আছে। বিক্রয়, বিপণন, প্রশাসন, হ...

চাকরির জন্য বেছে নিতে পারেন রংশিল্পকে।
চাকরির জন্য বেছে নিতে পারেন রংশিল্পকে। রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেমিস্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ আছে। বিক্রয়, বিপণন, প্রশাসন, হিসাব ইত্যাদি বিভাগেও কাজের ভালো সুযোগ রয়েছে।
দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে গোটা তিরিশেক রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে আছে বার্জার, এলিট, রক্সি, আল করিম, এশিয়ান, পেইলাক, নাভানা, রোমানা, আরএকে পেইন্টস।
রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হলো বিক্রয় বিভাগ। ছোট-বড় সব প্রতিষ্ঠানেই বছরে বিপুল পরিমাণ কর্মীর নিয়োগ হয়ে থাকে এ বিভাগে। বিক্রয় বিভাগের কর্মীদের কাজ করতে হয় দেশজুড়ে। প্রতিষ্ঠানের আকারভেদে বছরে এক শ থেকে দুই শ কর্মী নিয়োগ হয় একেকটি প্রতিষ্ঠানে। তবে প্রয়োজনে এর চেয়ে বেশি নিয়োগ হতে পারে। এ ছাড়া বিপণন, প্রশাসন, হিসাব ও অন্যান্য বিভাগ মিলিয়েও একেকটি প্রতিষ্ঠানে শ খানেক নিয়োগ হয়।
রক্সি পেইন্টসের জেনারেল ম্যানেজার রেদওয়ানুল মাহমুদ বলেন, এ সেক্টরে আগের তুলনায় চাকরির সুযোগ বেড়েছে। তাঁদের প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় বিভাগে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হয়ে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া তাঁদের অন্য বিভাগগুলোতেও বছরের বিভিন্ন সময়ে চাকরির সুযোগ তৈরি হয়। তবে প্রতিষ্ঠানের যখন প্রয়োজন তখনই কর্মী নিয়োগ হয়।
এসব প্রতিষ্ঠানে রং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় লোকবল কেমিস্টের নিয়োগ সাধারণত কম হয়। বছরে ২ থেকে ১০ জনের বেশি খুব কম প্রতিষ্ঠানেই নিয়োগ হয়। রেদওয়ানুল মাহমুদ আরও বলেন, তাঁদের ফ্যাক্টরির চাহিদা অনুযায়ী এ বিভাগে নিয়োগ হয় এবং বছরে এ সংখ্যা পাঁচ থেকে ছয়জনের বেশি নয়। তবে কোনো কোনো সময় এর চেয়ে বেশি নিয়োগ হয়।
একই কথা বললেন এশিয়ান পেইন্টস বাংলাদেশের মানবসম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুমন সূত্রধর। তিনি জানান, তাঁদের প্রতিষ্ঠানেও বছরে পাঁচ থেকে ছয়জনের বেশি কেমিস্ট নিয়োগ হয় না। তবে কোনো কোনো সময় ১০-১২ জনও নিয়োগ হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ফলিত রসায়ন ও পলিমার সায়েন্সের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেও তাঁদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ হচ্ছে। সাধারণত পণ্যে বৈচিত্র্য আনতেই বিভিন্ন বিভাগের লোক নিয়োগের চেষ্টা করা হচ্ছে।
অন্য রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো এশিয়ান পেইন্টসেও বিক্রয় বিভাগে নিয়োগ বেশি হয়। প্রতিবছর ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় তাঁদের বিক্রয় বিভাগে। এর পাশাপাশি প্রশাসন, হিসাব, মানবসম্পদ বিভাগেও বেশ কিছু নিয়োগ হয় তাঁদের প্রতিষ্ঠানে।

বেতন কেমন: সাধারণত রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে একেবারে নতুনদের বেতন দেওয়া হয় ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা। তবে বিভাগভেদে বেতনের এ হারে তারতম্য হয়। আবার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন কর্মীদের ক্ষেত্রেও অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে সম্মানী দেওয়া হয়।
তবে ধরাবাঁধা কোনো কাঠামোতে নয়, অনেক রং প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ হয় বাজারের ভিত্তিতে। রক্সি পেইন্টসের মহাব্যবস্থাপক রেদওয়ানুল মাহমুদ যেমন বললেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠান বেতন নির্ধারণ করা হয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী। কর্মীদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা অনুযায়ী অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো যে হারে বেতন দেয়, তাঁরাও সেভাবেই বেতন নির্ধারণ করেন।

About Author

Advertisement

Post a Comment Blogger Disqus

 
Top